পরিসংখ্যানের গুরুত্বপূর্ণ সংজ্ঞাসমূহ
চলক: যেসব বৈশিষ্ট্যকে সংখ্যায় পরিমাপ করা যায়, এমন বৈশিষ্ট্যধারী তথ্যকে চলক বলে।
শ্রেণি পরিসর: সংগৃহীত উপাত্তসমূহের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন মানের অন্তরফলকে শ্রেণি পরিসর বলে।
শ্রেণির মধ্যমান: কোনো শ্রেণির নিম্নসীমা ও উচ্চসীমার সমষ্টিকে ২ দ্বারা ভাগ করে যে মান পাওয়া যায়, তাকে শ্রেণির মধ্যমান বলে।
শ্রেণির গণসংখ্যা (Frequency): কোনো শ্রেণির দুইটি সীমার মধ্যে যতগুলো সংখ্যা পাওয়া যায়, অর্থাৎ ঐ শ্রেণিতে যে কয়টি সংখ্যা থাকে, তাকে ঐ শ্রেণির গণসংখ্যা বা ঘটনসংখ্যা বলে।
শ্রেণিসীমা: প্রত্যেক শ্রেণির সীমা নির্ধারণকারী ছোট ও বড় মানকে শ্রেণিসীমা বলে।
ছোট মানটি নিম্নসীমা এবং বড় মানটি ঊর্ধ্বসীমা।
গাণিতিক গড়: সংগৃহীত উপাত্তসমূহের চলকের মানের সমষ্টিকে চলকের সংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে যে মান পাওয়া যায়, তাকে গাণিতিক গড় বলে।
মধ্যক: উপাত্তের মানগুলো ঊর্ধ্বক্রম বা নিম্নক্রমে সাজালে সজ্জিত মানসমূহের মধ্যবর্তী মানকে মধ্যক বলে।
প্রচুরক: কোনো উপাত্তে যে সংখ্যা সর্বাধিকবার উপস্থাপিত হয়, সেই সংখ্যাই উপাত্তের প্রচুরক।
একটি উপাত্তের এক বা একাধিক প্রচুরক থাকতে পারে।
গুরুত্বপূর্ণ সূত্রসমূহ
পরিসর = (সর্বোচ্চ মান − সর্বনিম্ন মান) + 1
শ্রেণি ব্যবধান = পরিসর / শ্রেণি সংখ্যা
শ্রেণির মধ্যমান = (শ্রেণির ঊর্ধ্বমান + শ্রেণির নিম্নমান) / 2
অবিন্যস্ত উপাত্তের গড়:
x̄ = (x₁ + x₂ + … + xₙ) / n
x̄ = (x₁ + x₂ + … + xₙ) / n
বিন্যস্ত উপাত্তের গড় (সরাসরি পদ্ধতি):
x̄ = (1/n) Σ fᵢxᵢ
x̄ = (1/n) Σ fᵢxᵢ
গুরুত্বযুক্ত উপাত্তের গড়:
x̄w = Σ(xᵢwᵢ) / Σwᵢ
x̄w = Σ(xᵢwᵢ) / Σwᵢ
সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে গড়:
x̄ = a + (Σ fᵢxᵢ / n) × h
x̄ = a + (Σ fᵢxᵢ / n) × h
শ্রেণীবিন্যস্ত উপাত্তের মধ্যক:
Median = L + ( (n/2 − Fc) × h ) / fm
Median = L + ( (n/2 − Fc) × h ) / fm
শ্রেণীবিন্যস্ত উপাত্তের প্রচুরক:
Mode = L + ( f₁ / (f₁ + f₂) ) × h
Mode = L + ( f₁ / (f₁ + f₂) ) × h
Post a Comment