অনলাইন শিক্ষা ডট টপ (onlineshikkha.top)
--:--:--

সর্বশেষ

এইচএসসি কৃষিশিক্ষা দ্বিতীয় পত্রের বহুনির্বাচনী প্রশ্নের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

এইচএসসি কৃষিশিক্ষা দ্বিতীয় পত্রের বহুনির্বাচনী প্রশ্নের প্রস্তুতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য কণিকা নিয়ে আলোচনা করা হলো।

মাছ সংরক্ষণ পদ্ধতি সংরক্ষণকাল
লবণজাতকরণ ৬-৮ মাস
হিমায়িতকরণ ১ বছর
বরফজাতকরণ ৫-৭ দিন
টিনজাতকরণ ৩ বছর
ধানক্ষেতে চিংড়ি চাষের জন্য মূলত গলদা চিংড়ি উপযোগী। ধানক্ষেতের মিঠা পানিতে গলদা সহজে বেড়ে ওঠে এবং কম খরচে ভালো উৎপাদন পাওয়া যায়। অন্য চিংড়িগুলোর মধ্যে, হরিণা চিংড়ি সাধারণত নদী বা খাল-বিলে পাওয়া যায় এবং ধানক্ষেতে চাষের জন্য উপযুক্ত নয়। চ্যাপা চিংড়ি কিছুটা মিঠা বা সামান্য লবণাক্ত পানিতে থাকে, কিন্তু ধানক্ষেতে প্রচলিত নয়। আর বাগদা চিংড়ি মূলত লবণাক্ত বা সাগরপথের পানি পছন্দ করে, তাই ধানক্ষেতে এটি চাষ করা যায় না।

কোয়েলের বৈশিষ্ট্য

• ওজন ১৫০-২০০ গ্রাম পর্যন্ত হয়।

• ডিমের গড় ওজন ১০-১২ গ্রাম।

• কুঁচে হয় না।

• পৃথিবীতে ১৮টি জাত আছে।

গাভীর জাত দুধের পরিমাণ
হলস্টিন ফ্রিজিয়ান ৪০ লিটার
জার্সি ২০-২৫ লিটার
শাহিওয়াল ১৫ লিটার
রেড চিটাগাং ২-৫ লিটার
মাছের রোগের নাম কারণ
লেজ ও পাখনা পচা রোগ, উদর ফোলা রোগ ব্যাকটেরিয়া
ক্ষতরোগ, ফুলকা পচা রোগ ছত্রাক
ক্ষতরোগ ভাইরাস
সাদা দাগ রোগ, উকুন, কৃমিরোগ পরজীবী
কবুতরের বাচ্চাকে ইংরেজিতে স্কোয়াব বলে। স্কোয়াব উৎপাদনের জন্য আমেরিকার হোয়াইট কিং এবং সিলভার কিং অত্যন্ত জনপ্রিয়। এরা বছরে সর্বোচ্চ এগারো জোড়া বাচ্চা দিতে সক্ষম। স্কোয়াব উৎপাদনের জন্য ব্যবহারযোগ্য অন্য জাতগুলো হলো কারনাউ, স্কোয়াবিং হোমার, মনডেইন, জায়ান্ট হোমার, ফ্লোরেনটিন, স্ট্রেসারস ইত্যাদি।
যন্ত্র কাজ
ব্রুডার তাপ প্রদান
ক্যান্ডেলার ডিম পরীক্ষা
ল্যাক্টোমিটার দুধের বিশুদ্ধতা নির্ণয়
ইনকিউবেটর ডিম ফোটানো
কোয়েলের আদি স্থান জাপান। এর মাংস ও ডিম বেশ সুস্বাদু। এদের পালনে খুব কম জায়গা লাগে। একটি মুরগি পালনের স্থানে প্রায় ১০টি কোয়েল পালন করা যায়। কোয়েলের ৪টি ডিমের দামের প্রায় সমতুল্য মুরগির ১টি ডিম।

মোহেয়া হলো ছাগলের লোম, বিশেষ করে কাশ্মীরি ছাগল থেকে। এটি খুব হালকা, নরম এবং উষ্ণতা ধরে রাখে। মোহেয়া থেকে স্যুট, শাল, সোয়েটার ইত্যাদি তৈরি করা হয়। মহিষ, ভেড়া বা গরুর লোম মোহেয়ার মতো নরম ও মূল্যবান হয় না।

যন্ত্র ব্যবহার
লাইসমিটার মাটি বা কোনো পদার্থের পানি শোষণ ক্ষমতা ও আর্দ্রতার মাত্রা মাপা।
ল্যাকটোমিটার দুধের আপেক্ষিক গুরুত্ব, বিশুদ্ধতা এবং অম্লত্ব নির্ণয়।
থার্মোমিটার তাপমাত্রা মাপা।
হাইড্রোমিটার তরল পদার্থের ঘনত্ব বা আপেক্ষিক ঘনত্ব মাপা।
গরুর রোগ রোগের কারণ
দাদ, এসপারজিলোসিস ছত্রাক
বাদলা, তড়কা, ওলান প্রদাহ, গলা ফোলা রোগ ব্যাকটেরিয়া
ক্ষুরা রোগ, গো-বসন্ত ভাইরাস

পিপিআর অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত একটি রোগ যা শীতকালে বেশি হয়। একে রিডারপেস্ট রোগও বলে। প্রধানত ছাগল ও ভেড়া এ রোগে আক্রান্ত হয়। অন্যদিকে, ক্ষুরা, তড়কা ও দধজ্বর গরুর উল্লেখযোগ্য রোগ।

মাটির উর্বরতা বজায় রেখে এক খণ্ড জমিতে শস্য ঋতুর বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন ফসল উৎপাদন করাই হলো শস্য পর্যায়। অর্থাৎ একই ধরনের ফসল একই জমিতে বারবার উৎপাদন না করে অন্য জাতের ফসল উৎপাদন করাকে শস্য পর্যায় বলা হয়। এটি সাধারণত ২-৪ বছর মেয়াদি হয়ে থাকে।

হাঁসের রোগ (Duck Diseases) কারণ (Causes)
প্লেগ ভাইরাস
কলেরা, ফাউল টাইফয়েড ব্যাকটেরিয়া
হেপাটাইটিস ভাইরাস
কৃমি পরজীবী

গাভীর সংখ্যা যদি ১০-এর কম হয়, তাহলে গাভী রাখার জন্য ১ সারি ঘর করা উচিত। এক সারিতে রাখলে প্রতিটি গাভীর জন্য পর্যাপ্ত স্থান থাকে, গবাদিপশুর পরিচর্যা ও দুধ দেওয়া সহজ হয়। এছাড়াও বায়ু চলাচল ভালো থাকে এবং স্বাস্থ্য ঝুঁকি কমে। তাই ছোটো খামারের জন্য এটি সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যবস্থা।

বিনোদন কেন্দ্র অবস্থান
হিমছড়ি, ইনানী কক্সবাজার
জাতীয় উদ্যান ভাওয়াল ও মধুপুর
রামসাগর, স্বপ্নপুরী দিনাজপুর
নীলসাগর নীলফামারী
জাফলং সিলেট
মাধবকুণ্ড মৌলভীবাজার

১২।

রোগের নাম কারণ
ব্লাস্ট ফেভাস Pyricularia oryzae ছত্রাক
যক্ষ্মা Mycobacterium tuberculosis ব্যাকটেরিয়া
কলেরা Vibrio cholerae ব্যাকটেরিয়া
নিউমোনিয়া Streptococcus pneumoniae ব্যাকটেরিয়া

১৩। ফরমালিন দেওয়া মাছ চেনায় উপায়—

  1. চক্ষু গোলকের ভিতরের দিকে যায়।
  2. শরীরে স্লাইম থাকে না।
  3. ফুলকা কালচে বর্ণের হয়।
  4. দেহে মাছি বসে না।

চুন প্রয়োগের ফলে—

  • • পানির ঘোলাত্ব দূর হয়।
  • • সারের কার্যকারিতা বাড়ে।
  • • মাটি ও পানির অম্লত্ব দূর হয়।
  • • পরজীবী ও রোগজীবাণু ধ্বংস হয়।

মাছের ফুলকা পচা রোগের লক্ষণ—

  • • মাছের ফুলকা ফুলে যায়। ফুলকায় রক্ত জমাট বাঁধে এবং পরে তা পচে যায়।
  • • আস্তে আস্তে ফুলকা থেকে রক্তক্ষরণ শুরু হয়।
  • • মাছ পানির উপর ভেসে ওঠে এবং শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা যায়।

রাক্ষুসে মাছ—

যে সকল মাছ চাষের মাছকে খেয়ে ফেলে এবং চাষযোগ্য মাছের জায়গা, খাদ্য, অক্সিজেন সবকিছুতেই ভাগ বসায় তাদেরকে রাক্ষুসে মাছ বলে। যেমন— শোল, গজার, টাকি, চিতল ইত্যাদি।

মুরগির জাত উদ্দেশ্য
লেগহর্ন ডিম
ফাউমি ডিম
ব্রাহমা মাংস
নিউ হ্যাম্পশায়ার ডিম ও মাংস
পোল্ট্রির রোগ (Poultry Diseases) কারণ (Causes)
রানীক্ষেত, গামবোরো, বসন্ত, ম্যারেক্স ভাইরাস (Virus)
যক্ষ্মা, কলেরা, টাইফয়েড ব্যাকটেরিয়া (Bacteria)
গোলকৃমি, ফিতাকৃমি পরজীবী (Parasite)
ককসিডিওসিস, ব্ল্যাকহেড প্রোটোজোয়া (Protozoa)

হলস্টেইন-ফ্রিজিয়ান মূলত জার্মানি ও নেদারল্যান্ডের স্থানীয় জাত হলেও অধিক দুধ উৎপাদনের লক্ষ্যে বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত জাতের সংমিশ্রণে বা প্রজননে এই বিশেষ জাতটি উন্নত করা হয়েছে। তাই এটি সংকর বা উন্নত জাত হিসেবে পরিচিত। এটি মূলত দেশীয় গরুর সাথে হলস্টেইন বা ফ্রিজিয়ান ষাঁড়ের সংকরায়নের মাধ্যমে তৈরি, যা দুধের উৎপাদন বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

দুধাল গরুর জাত → সিন্ধি, শাহিওয়াল, জার্সি, হলস্টেইন ফ্রিজিয়ান, আয়ারশায়ার।

মাংসল গরুর জাত → বিফ মাস্টার, শর্ট হর্ন, হলিকার, হারফোর্ড।

পাহাড়ী বনের বৃক্ষ: সেগুন, শিলকড়ই, চাপালিশ, মেহগনি, হিজল, গর্জন, গামার ইত্যাদি।

সমতল ভূমির বনের বৃক্ষ: শাল, গজারি, কড়ই, জারুল ইত্যাদি।

ম্যানগ্রোভ বনের বৃক্ষ: সুন্দরি, গেওয়া, গরান, বাইন, কেওড়া, পশুর, বেত, গোলপাতা ইত্যাদি।


তুলসি পাতার রস কাশি, হাঁপানি, অ্যাজমা, সর্দি, পেটের পীড়া নিরাময়ে ব্যবহৃত হয়। চর্মরোগের চিকিৎসায় আমলকি ও বহেরা ব্যবহৃত হয়।


মাটির গুণাগুণ বজায় রাখা, আগাছা প্রতিরোধ, মাটির ক্ষয়রোধ এবং মাটিকে ঠান্ডা ও জলীয় কণা ধরে রাখার জন্য ফসলের উপর শুষ্ক উদ্ভিদজ দ্রব্য যেমন— কলাপাতা, খড়, কচুরিপানা ইত্যাদি প্রয়োগকে মালচিং বলা হয়। সাধারণত শুষ্ক মৌসুমে মালচিং করা হয়। মালচিং এর ফলে মাটিতে জৈব পদার্থ এবং মৌলিক উপাদান যোগ হয়।


  • ইউএমবি → ইউরিয়া মোলাসেস ব্লক, যা ইউরিয়ার সাথে ঝোলাগুড় বা মোলাসেস মিশিয়ে তৈরি করা হয়।
  • সাইলেজ → সংরক্ষিত সবুজ ঘাস।
  • খড় → ফসলের শুকনো অবশিষ্টাংশ।
  • হে → সংরক্ষিত রৌদ্রে শুকানো ঘাস।

  • ব্রুডার → মুরগির বাচ্চাকে তাপ দেওয়ার ঘর।
  • ক্যাণ্ডলার → আলো দিয়ে ডিমের ভেতর দেখার যন্ত্র।
  • ল্যাক্টোমিটার → দুধের আপেক্ষিক ঘনত্ব/বিশুদ্ধতা পরিমাপক যন্ত্র।
  • ইনকিউবেটর → ডিম ফোটানোর আধুনিক যন্ত্র।

  • রোয়েন → হাঁসের জাত।
  • জিনডিং → হাঁসের জাত।
  • আসিল → লড়াইয়ের জন্য বিখ্যাত বাংলাদেশি মুরগির জাত।
  • পিকিং → হাঁসের জাত।

  • তড়কা → গবাদিপশুর রোগ।
  • ককসিডিওসিস → মুরগির আমাশয় রোগ।
  • ড্রপসি → মাছের রোগ।
  • গামবোরো → মুরগির রোগ।

  • টিনজাতকরণ → সর্বোচ্চ ৩ বছর পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়।
  • লবণজাতকরণ → অধিক সময়ের সংরক্ষণ পদ্ধতি।
  • হিমায়িতকরণ → দীর্ঘমেয়াদে মাছ সংরক্ষণ পদ্ধতি।
  • বরফজাতকরণ → পরিবহনের সময় সংরক্ষণের পদ্ধতি।

Post a Comment

Previous Post Next Post