অনলাইন শিক্ষা ডট টপ (onlineshikkha.top)
--:--:--

সর্বশেষ

হোমিওপ্যাথির অর্গানন অব মেডিসিনের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পার্থক্য।

অর্গানন অব মেডিসিন

হোমিওপ্যাথিক কলেজের ডিএইচএমএস কোর্সের প্রথম বর্ষের অর্গানন অব মেডিসিনের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পার্থক্য দেওয়া হল।

প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্ন: সদৃশ ও বিসদৃশ চিকিৎসা বিধানের পার্থক্য লিখ।
অথবা, হোমিওপ্যাথিক ও অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসা পদ্ধতির পার্থক্য।
হোমিওপ্যাথিক / সদৃশ চিকিৎসা বিধান অ্যালোপ্যাথিক / বিসদৃশ চিকিৎসা বিধান
১. ঔষধ সুস্থ মানবদেহে সদৃশ রোগ লক্ষণ সৃষ্টি করে। ১. ঔষধ সুস্থ মানবদেহে বিসদৃশ রোগ লক্ষণ সৃষ্টি করে।
২. হোমিওপ্যাথির নীতি অপরিবর্তিত। ২. অ্যালোপ্যাথির নীতির পরিবর্তন হতে পারে।
৩. স্থায়ীভাবে রোগীর আরোগ্য লাভ হয়। ৩. রোগীর কষ্টের উপশম বা সাময়িক উপশম হয়।
৪. সমগ্র মানুষটির প্রতি দৃষ্টি রেখে চিকিৎসা করা হয়। ৪. যে অঙ্গে রোগের প্রকাশ ঘটে সেই অঙ্গের প্রতি দৃষ্টি রেখে চিকিৎসা করা হয়।
৫. একই রোগে ভিন্ন ভিন্ন ঔষধ এবং ভিন্ন রোগেও একই ঔষধ ব্যবহৃত হতে পারে। ৫. নির্দিষ্ট রোগের জন্য বিশেষ ঔষধ ব্যবহার করা হয়।
৬. সুস্থ মানবদেহে ঔষধ পরীক্ষা করা হয়। ৬. ইতর প্রাণীর উপর ঔষধ পরীক্ষা করা হয়।
৭. সমস্ত কষ্টের উপশমের জন্য একটিমাত্র ঔষধ ক্ষুদ্র মাত্রায় ব্যবহৃত হয়। ৭. বিভিন্ন কষ্টকর উপশমের জন্য বিভিন্ন ঔষধ স্থূল মাত্রায় ঘন ঘন ব্যবহৃত হয়।
৮. জীবাণুবাদ দ্বারা প্রভাবিত নয়। ৮. জীবাণুবাদ দ্বারা প্রভাবিত।

প্রশ্ন: লক্ষ্মণ ও চিহ্নের মধ্যে পার্থক্য লিখ।

লক্ষ্মণ চিহ্ন
১. রোগীর নিজের বর্ণিত কষ্টের উপসর্গগুলিকে লক্ষ্মণ বলে। ১. পরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণ দ্বারা রোগীর রোগ সম্পর্কে চিকিৎসকের ধারণাকে চিহ্ন বলে।
২. উদাহরণ: বমি ২. উদাহরণ: রক্তবমি
প্রশ্ন: প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম রোগের মধ্যে পার্থক্য
প্রাকৃতিক রোগ কৃত্রিম রোগ
১. জীবনীশক্তির বিশৃঙ্খলােই রোগ। ১. ঔষধ দ্বারা সৃষ্ট রোগ।
২. চির উপবিষ সোরা, সিফিলিস ও সাইকোসিস প্রাকৃতিক রোগের মূল কারণ। ২. বার বার অসদৃশ ঔষধ ব্যবহার এর মূল কারণ।
৩. হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার সদৃশ বিধান মতে আরোগ্য লাভ করে। ৩. সদৃশ ঔষধ বন্ধ হলে জীবনীশক্তির ক্রিয়া দ্বারা রোগী আরোগ্য হয়।
৪. বংশানুক্রমিকভাবে সজীব সত্ত্বায় টিকে থাকতে পারে। ৪. ইহা বংশানুক্রমিক নয়, রোগীর মৃত্যুর সাথে রোগেরও পরিসমাপ্তি ঘটে।
৫. সদৃশ ঔষধ প্রয়োগে পূর্ণ আরোগ্য হয়। ৫. কোনো কৃত্রিম রোগের সদৃশ কোনো ঔষধ নাই।

Post a Comment

Previous Post Next Post