অনলাইন শিক্ষা ডট টপ (onlineshikkha.top)
--:--:--

সর্বশেষ

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় Nux Vomica এর কার্যকারিতা।

Nux Vomica Information

NUX VOMICA (Nux Vom)

অপর নাম : পয়জন নাট, স্ট্রিকনস নাক্স ভমিকা, কুঁচিলা, কুপিলু, নাক্স ভমিকা অফিসিন্যারিস।
উৎস : উদ্ভিজ্জ (কুঁচিলা নামক এক প্রকার ফলের বীজ)
প্রভার : ডাঃ স্যামুয়েল হ্যানিম্যান।
কাতরতা : অধিক শীত কাতর।
মায়াযম : সোরিক, সাইকোটিক, সিফিলিটিক, টিউবারকুলার।
প্রধান ক্রিয়াস্থান : মন, স্নায়ু, পরিপাক ক্রিয়া, পাকস্থলী, যকৃত, অন্ননালী, গুহ্যদ্বার, শ্বাসকার্য।

রোগী ও রোগ পরিচয়:

  1. হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় নাক্স ভোম বড়ই সমাদিত, আমাদের দৈনন্দিন আহার্যে লবণের মত এ ঔষধটি ব্যবহৃত হয়।
  2. ★★২. মানব দেহের প্রায় এক তৃতীয়াংশ রোগ নাক্স ভোমে আরোগ্য লাভ করে।
  3. ★★৩. কোন রোগীর ঔষধ নিরূপণ করতে না পারলে, অল্প মাত্রায় নাক্স ভোম প্রয়োগ করলে তেমন.

কোন অসুবিধার সৃষ্টি হয় না। বরং রোগীর ক্ষুধা, বল শক্তি ও রতি ক্রিয়া বৃদ্ধি পায়।

৪. নাক্স ভোমিকা নারীদের চেয়ে পুরুষদের অধিক কাজে লাগে।

★ ৫. উত্তেজক দ্রব্য বা উত্তেজক ঔষধ বা নানা প্রকার তিক্ত ঔষধ সেবনে অজীর্ণ পীড়ায় চমৎকার উপকার হয়।

**

৬. অতিরিক্ত মানসিক পরিশ্রম, রাত্রি জাগরণ কিংবা মাদক দ্রব্য সেবন জনিত নানা পীড়ায় নাক্স ভোমিকা সর্বোত্তম ঔষধ।

৭. রোগী প্রচন্ড রাগী, অসহিষ্ণু, উচ্চাভিলাষী, প্রতিযোগী, খুঁত খুঁতে মনোভাব ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা।

**

৮. ঘন ঘন নিষ্ফল মল ত্যাগের ইচ্ছা (আমাশয়ের ভাব), মল ত্যাগে অতৃপ্তি, মুখে অরুচী, মলত্যাগে সাময়িক উপশম এ ক্ষেত্রে নাক্স ভোম 3x নাক্স ভোম বা ৩০ শক্তি ঘন ঘন প্রদেয়।

**৯. অধিক মসল্লাযুক্ত ঝাঁঝালো খাদ্য, চর্বিযুক্ত খাদ্য, মদ্য ও উত্তেজক খাদ্যে আসক্তি, তৎসহ পরিপাক শক্তির গোলযোগসহ ও অজীর্ণতা।

১০. তলপেটে ব্যাথাসহ বমি বমি ভাব, বমি করতে পারলে ভাল হত এরূপ মনোভাব।

* ১১. তরুন রোগে নাক্স ভোম নিম্ন শক্তি যেমন ৩য়, ৩০ শক্তি এবং পুরাতন রোগে উচ্চ শক্তি কার্যকর।

* ১২. অর্শ রোগে প্রাথমিক পর্যায়ে নাক্স ভোম একটি উৎকৃষ্ট ঔষধ।

*

১৩. রোগী মনে করে একটু ঘুম হলেই হয়তো সে সুস্থ হবে।

১৪. যে কাজটি ধরে, সেটি পূর্ণ না করে ছাড়ে না।

** ১৫. সব সময় ছলচতুরী করে ও ঝগড়া করার চেষ্টা করে।

১৬. বন্য জীবজন্তু স্বপ্নে দেখে।

**১৭. চুরি করা রোগীর নিত্য স্বভাব ও অসামাজিক জীবন যাপন করে।

১৮. অধিক ঔষধ ব্যবহারের স্বভাব।

১৯. সহবাসের পর জ্বর আসে।

২০. অধিক পুড়ে যাওয়া জ্বরে ঘাম হলেও শরীর ঢেকে রাখতে চায়।

২১. শ্বাস-প্রশ্বাস নিলে দাঁতে ব্যাথা বাড়ে।

**২২. আহারের ২/১ ঘন্টা পরে পেটে ব্যথা অনুভব বিশেষ করে গুরুপাক খাবারের পরে।

২৩. জিহ্বার প্রথমভাগ পরিষ্কার, শেষের ভাগ ময়লাযুক্ত।

* ২৪. উত্তেজক খাদ্য পছন্দ করে কিন্তু সহ্য হয় না।

**২৫. ভাল কথা বললেও বিরক্ত অনুভব করে এবং ছোট জাতের মত ঝগড়া করে।

২৬. একা থাকতে চায়, পড়তে বা কথা বলতে চায় না।

২৭. প্রতি অবস্থাতেই গায়ে অবশ্যই ঢাকা দিতে চায়।

* ২৮. কোন মহিলাকে স্পর্শ করলে বীর্যপাত হয়।

২৯. ঔষধ খাওয়া ও আদা খাওয়ার পর উদরাময়।

পরবর্তী ঔষধ

(পরিপূরক ও অণুপূরক) : ক্যামোমিলা, ককুলাস, ক্যাক্টর, কফিয়া, ওপিয়াম, থুজা, একোনাইট।

ক্রিয়ানাশক : সালফার, পালস, সিপিয়া, আর্সেনিক, বেল, ব্রায়োনিয়া।

ক্রিয়া স্থিতিকাল : ১ থেকে ৭ দিন।

শক্তভাব : নাই।

অথবা : দুধ, কফি, আটার, চর্বি, কদুর, মদ।

বর্জণীয় : আফিম, মানসিক পরিশ্রম।
রোগ বৃদ্ধি : সঙ্গীতে, মানসিক পরিশ্রমে, সকালে, ঠান্ডা খোলা বাতাসে, ক্রোধে, মদ্যপানে, স্পর্শে, গোলমালে, উগ্র গন্ধে।
রোগ হ্রাস : বিশ্রামে, গরম পানিয়ে, দুধ পানে, চর্বিতে, শয়নে, সন্ধ্যায়।
ঔষধ শক্তি (ক্রম) : ৩য় থেকে ২০০ শক্তি। পুরাতন রোগে আরো উচ্চ শক্তি।

Post a Comment

Previous Post Next Post